মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের থাবায় গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৫৪ জন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১৬ জন। অন্যদিকে মোট আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে হয়ে গেল ১ লাখ ০৩ হাজার ৩৯৬ জন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।এর আগে গত বছর সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।
১ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৪৯ জনের। সন্দেহজনক হামের রোগী পাওয়া গেছে ১০৭৪ জন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সন্দেহজনক হামে ঢাকায় ২৯৫ জন, সিলেটে ১৪২, চট্টগ্রামে ২৪৬, রাজশাহীতে ৩৭, ময়মনসিংহে ৭২, বরিশালে ১৩২, খুলনায় ১২৬ ও রংপুরে ২৪ জন আক্রান্ত হয়েছে।নিশ্চিত হামে আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকায় ৬৩, চট্টগ্রামে ৬৭ ও খুলনায় নয়জন। হামে উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে, ঢাকায় তিনজন, সিলেটে একজন ও চট্টগ্রামের দুইজন। গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের। হামের উপসর্গে ১০৬৬ জন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত ২২ হাজার ৭১২ জন। হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে দুই লাখ ৭ হাজার, ৩৭১ জনের মধ্যে। হামের উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৬৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬৭২ জন।
১ দিন আগে
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৪২১ শিশু।আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সোমবার সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টায় এই মৃত্যু ও আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে।প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ১ হাজার ৬০ শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০৪ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ১ হাজার ১৬৪ শিশু মারা গেছে।এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ১৫২ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৬৯। এই সময়ে ১ হাজার ১৭৯ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ১৮৬ শিশু।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৬ হাজার ২৯৭, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২২ হাজার ৫৭৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৮৩ হাজার ২২৬ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬৫৫ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২ দিন আগে
মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) রোগটিতে সারাদেশে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ১৬৭ জন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩০৭ জন। অন্যদিকে মোট আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়ে হয়ে গেল ১ লাখ ১১ হাজার ৪৪২ জন। সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া চারজনের মধ্যে দুজন শিশু এবং দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক। এর আগে গত বছর সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।
২ দিন আগে