তিন ঘণ্টাব্যাপী 'টিচিং টোফেল স্কিলস' প্রশিক্ষণে ৫০ জনের বেশি শিক্ষক ও পরামর্শদাতার অংশগ্রহণের পাশাপাশি ৩০ জনের বেশি শিক্ষা অংশীদারকে নিয়ে একটি পরিচালক সভাও অনুষ্ঠিত হয়।গ্লোবাল এডুকেশন ও ট্যালেন্ট সল্যুশন অর্গানাইজেশন এবং টোফেল আইবিটি (TOEFL iBT) পরীক্ষার নির্মাতা ইটিএস (ETS), সম্প্রতি সিলেটের গ্র্যান্ড প্যালেসে একটি ‘টিচিং টোফেল স্কিলস (টিটিএস)’ প্রশিক্ষণ এবং এর পরে একটি ‘ডিরেক্টরস মিট’-এর আয়োজন করে। তিন ঘণ্টাব্যাপী এই প্রশিক্ষণে ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক, টোফেল প্রস্তুতি বিশেষজ্ঞ ও পরামর্শক হালনাগাদ টোফেল আইবিটি পরীক্ষা সম্পর্কে নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে অংশ নেন। দিনের পরবর্তী অংশে, ৩০ জনেরও বেশি এডুকেশন এজেন্ট এবং চ্যানেল-পার্টনার লিডাররা পরীক্ষাটির সর্বশেষ বৈশিষ্ট্য, আজকের শিক্ষার্থীদের জন্য সেগুলোর প্রাসঙ্গিকতা এবং অংশীদাররা কীভাবে আন্তর্জাতিক শিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আরও ভালোভাবে পথ দেখাতে পারে, সে সম্পর্কে জানতে ‘ডিরেক্টরস মিট’-এ অংশগ্রহণ করেন।করণ ললিত , স্বাগত ভাষণের মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু করেন। ইটিএস-এর টোফেল ও জিআরই বিভাগের দক্ষিণ এশিয়ার ট্রেনিং ডিরেক্টর, মিস প্রিয়ঙ্ক ছাবড়া, তিন ঘণ্টার টিটিএস প্রশিক্ষণটি দুটি বিশেষ সেশন প্রদান করেন, যেখানে টোফেল আইবিটি পরীক্ষার হালনাগাদ ফরম্যাট, ডেলিভারি এবং মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেশনগুলো একটি প্রশ্নোত্তর ও মতামত পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়। এরপর জনাব করণ ললিত এবং জনাব কার্তিকের নেতৃত্বে ৯০ মিনিটের ডিরেক্টরস মিট অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ৯০ মিনিটের পরিচালক সভায় ইটিএসের রেস্ট অব সাউথ এশিয়ার ডিরেক্টর, চ্যানেল ম্যানেজমেন্ট মি. করণ ললিত ও মি. কার্তিক রাজাসেকরণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষা অংশীদারদের দৃষ্টিকোণ থেকে হালনাগাদ টোফেল পরীক্ষা তুলে ধরেন।অংশগ্রহণকারীরা টোফেল প্রস্তুতি ও শ্রেণিকক্ষ-সহায়ক আনুষ্ঠানিক উপকরণ পেয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে পাঠ পরিকল্পনা, একটি অধ্যয়ন পরিকল্পনাকারী এবং টোফেল প্র্যাকটিস অনলাইন-এ প্রবেশাধিকার। টিটিএস প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী অংশগ্রহণকারীরা প্রশংসাপত্রও পেয়েছেন, যা প্রশিক্ষণ চলাকালীন অর্জিত জ্ঞানকে আরও সুদৃঢ় করতে এবং পরীক্ষার্থীদের জন্য আরও সুসংগঠিত প্রস্তুতিতে সহায়তা করে।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইটিএস-এর টোফেল ও জিআরই, দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাহী পরিচালক জনাব করণ ললিত বলেন, “শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্পর্কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করার ক্ষেত্রে শিক্ষক, কাউন্সিলর এবং এডুকেশন পার্টনার প্রত্যেকেই একটি স্বতন্ত্র ভূমিকা পালন করেন। সিলেটে ‘টিচিং টোফেল স্কিলস’ প্রশিক্ষণটি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতকারীদের ব্যবহারিক দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে, অন্যদিকে ‘ডিরেক্টরস মিট’ শিক্ষা নেতৃবৃন্দকে হালনাগাদকৃত টোফেল আইবিটি পরীক্ষা এবং আজকের শিক্ষার্থীদের জন্য এর প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট ধারণা দিয়েছে। এই বিষয়ে সবার জ্ঞান ও দক্ষতা বাড়িয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের আরও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রস্তুতি নিতে এবং বিশ্বজুড়ে আরও বেশি সুযোগ কাজে লাগাতে সহায়তা করতে চাই।"বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় অঞ্চল এখন সিলেট। এখানকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপে পড়াশোনার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এই বাজারে ইংরেজি ভাষার দক্ষতার ঘাটতিও রয়েছে, এবং কিছু পরীক্ষার্থীর বারবার ইংরেজি ভাষার দক্ষতা মূল্যায়নের প্রচেষ্টা নির্ভরযোগ্য মূল্যায়ন বিকল্প এবং আরও সুসংগঠিত প্রস্তুতি সহায়তার বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। সিলেটের শিক্ষা পরামর্শক এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিষ্ঠিত নেটওয়ার্ক এই চাহিদা পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ইটিএস-এর বর্তমানে ঢাকায় পাঁচটি এবং চট্টগ্রামে একটি অনুমোদিত টোফেল পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে এবং আঞ্চলিক সংযোগ জোরদার করার জন্য সিলেটে একটি কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। টিটিএস প্রশিক্ষণ এবং ডিরেক্টরস মিট একত্রে পরীক্ষার্থী এবং তাদের পথপ্রদর্শক পেশাদারদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে ইটিএস-এর অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করেছে। আরও তথ্যের জন্য, ভিজিট করুন www.ets.org/toefl ।
১৭ ঘন্টা আগে
মন খুলে গান গাওয়া যায়, কিন্তু পরীক্ষা খাতায় মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, শিক্ষকেরা উত্তরপত্র মূল্যায়নে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন কি না। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, মন খুলে নম্বর দেওয়া যায় না।’ চলতি বছরের সার্বিক ফলাফলকে বস্তুনিষ্ঠ ও সুন্দর উল্লেখ করে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, ‘আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন? রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে।’সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী জানান, যেসব শিক্ষার্থী কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করবে, এবার তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে।পরীক্ষায় ভালো করার প্রত্যাশা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল না পাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা বোর্ডের ১৯৯৮ সালের যে আইন ছিল, সেখানে খাতা পুনর্মূল্যায়ন বা বিস্তারিত পরিদর্শনের কোনো সুযোগ ছিল না। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন এনেছি। এখন পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদনকারীদের খাতা পুরোপুরি রি-চেক করা হবে। মূল্যায়নে কোথাও কোনো ভুলত্রুটি বা বিচ্যুতি ধরা পড়লে তা শুধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’উল্লেখ্য, আজ প্রকাশিত ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের তথ্যানুযায়ী, এবার সারাদেশে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২.২৫ শতাংশে। আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। গত বছর ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।
২১ ঘন্টা আগে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।প্রকাশিত ফলাফল পর্যালোচনা করে জানা যায়, এবার দেশের ৭৪১টি কেন্দ্রে মোট ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন।এ বছর দাখিল পরীক্ষা থেকে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ১৭৬ জন শিক্ষার্থী। ফল প্রকাশের পরপরই পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও নির্ধারিত মোবাইল এসএমএস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের ফল সংগ্রহ করতে পারছেন।
১ দিন আগে
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী।সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫১ হাজার ৯৩ জন।মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৬১ হাজার ৪৯১ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৫ জন।এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ১ হাজার ৫০৯ জন এবং ছাত্রী ৩৩ হাজার ১৫১ জন।সারা দেশে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়।ফলাফল দেখবেন যেভাবেশিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল অনলাইনে দেখতে পারবে। ফলাফল পাওয়া যাবে eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে।এ ছাড়া যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাবে।এসএমএসে SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> ২০২৬ লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।উদাহরণ: SSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকেফলাফলে সংক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত খাতা পুনর্নিরীক্ষণের (চ্যালেঞ্জ) আবেদন করতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হবে।এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশকোনো শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে সরাসরি উপস্থিত হয়ে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে না।
১ দিন আগে